প্রিয়া সাহা করোনায় আক্রান্ত হয়ে ক্রিটিক্যাল অবস্থায় নিউইয়র্কের হাসপাতালে

আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের মিথ্যা নালিশ করা সেই প্রিয়া সাহা করোনায় আক্রান্ত হয়ে ক্রিটিক্যাল অবস্থায় আমেরিকান নিউইয়র্কের এক হাসপাতালে চিকিৎসারত।

বাংলাদেশে লাখ লাখ সংখ্যালঘু নির্যাতন চলছে ট্রাম্পের কাছে নজিরবিহীন মিথ্যা অভিযোগকারিনী সর্বশেষ করোনা ভাইরাসে “করুণ” ভাবেই আক্রান্ত হয়েছে।
ওয়াশিংটন পোষ্টের বরাত দিয়ে কলকাতার বাংলা নিউজ জানায়, প্রিয়াসাহা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে মিথ্যে অভিযোগ করে মার্কিন প্রশাসনের অনুকম্পা আদায় করে আমেরিকায় তার দুই মেয়ের সাথে স্হায়ী হতে চেয়েছিলেন! কিন্তু মরণব্যাধি করোনা ভাইরাস ছাড় দেয়নি বাংলাদেশের শীর্ষ এই মিথ্যেবাদিনীকে!

1 COMMENT

  1. সংখ্যালঘু শব্দটাই যত নষ্টের গোড়া। পুরোটাই সাম্প্রদায়িক। এইযে আমেরিকা যার প্রেসিডেন্টের কাছে আমাদের শরিয়তপুরের প্রিয়বালা সাহা বা প্রিয়াসাহা গিয়ে কেঁদে কেঁদে বললেন বাংলাদেশে ৩৭ মিলিয়ন হিন্দুকে গুম করা হোয়েছে, আমাদের বাচান! ইত্যাদি, সেই আমেরিকাকে বলা হয় বহু ভাষাভাষী, বহু বর্ণ, ধর্ম আর আকার আকৃতির মানুষের মেল্টিংপট।
    ৩ কোটি ৭০ লক্ষ সংখ্যালঘু যার ৯৮%ই হিন্দু তারা নাকি উধাও। গুম করা হয়েছে। অথচ দেখুন আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধেও এই সংখ্যার দশ ভাগের একভাগ লোকও নিহত বা আহত হন নাই। মাত্র এককোটি শরণার্থী ভারতে আশ্রয় নিয়েছিলো, সারা দুনিয়া জেনে গিয়েছিলো, মাত্র দশ লক্ষ রোহিঙ্গা বাংলাদেশের ঊখিয়ায়, তাতেই মিয়ানমারের ত্রাহি ত্রাহি অবস্হা হয়ে গেছে। এই ভয়ংকর মিথ্যাচার শুনে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প চোখ জোড়া উপরে তুলে জানতে চান Who did it?
    প্রিয়া সাহা কেন এমন মিথ্যাচার করলেন? তার আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ আছে। বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও তেমন করেই বলেছেন। তবে অপরপক্ষ এরই মধ্যে বলেছেন এই প্রিয়া সাহা নাকি তার ব্যক্তি স্বার্থে এসব করেছেন। তার স্বামীও বাংলাদেশের একজন সরকারি কর্মকর্তা। তার দুই সন্তান আমেরিকায় থেকে লেখা পড়া করে। ওদেশে থেকে যাবার কৌশল হোতে পারে তার এই মিথ্যাচার। বাংলাদেশের হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ তাদের সাংগঠনিক সম্পাদক এই প্রিয়া সাহাকে প্রতিনিধি করে আমেরিকায় পাঠায় নাই, তার বক্তব্যের দায় সংগঠন নেয় নাই। বরং গঠনতন্ত্র বিরোধী কাজের জন্য সংগঠন প্রিয়া সাহাকে বরখাস্ত করেছে বলে প্রকাশ। সংগঠনের সাধারন সম্পাদক সাংবাদিকদের বলেছেন তারা সবার সাথে মিলেমিশে একই দেশ, একই পাড়া মহল্লায় বংশ পরম্পরায় নিজ মাতৃভূমি বাংলাদেশে ভালোই আছেন এবং ভালোভাবেই থাকতে চান।
    তবে এ ক্ষেত্রে সংখ্যালঘু শব্দটাই যত নষ্টের গোড়া। বোদ্ধামহল মনে করে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ গঠন করে মুসলমানদের দুরে ঠেলে দেয়া হোয়েছে। তাই এই নামটির সাথে মুসলিম শব্দটিও যোগ করে নেয়া উচিত। রেজাউল করিম মুকুল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here